যে কোনো সময় লেখা পোস্ট করা যায় । লিঙ্ক - https://webtostory.com/to-post-the-text/

কবিতাসমগ্র

 

web to story



______         


web to story


কখন আসবে রাতের শেষ ট্রেনটি?

জিএম মুছা।

তাং – ২৮/০৫/২০০৬ ইং

পৃথিবীর মাটি পুড়ে পুড়ে এখন খাক, জ্বলছে আগুন নিভানোর কোনো অবকাশ নেই। পুড়ে ছাই গোটা বিশ্ব বিবেক। জ্বলছে আফগান-ইরাক বাংলাদেশে, প্রজ্জ্বলিত প্রতিহিংসার রোষানলে। বাতাসে এখন দস্তা, শিষা, ফসফরাস,গন্ধক ভেসে বেড়ায়, প্রচন্ড রোদ্দুরের খরতাপে হয় বিস্ফোরণ, নদীর ঢেউয়ের সাথে উপচে পড়া বাতাসের। ছুটছে মানুষ বিষাক্ত ধোঁয়ার মধ্যে বাস-ট্টাম,লরি জাহাজ, ইষ্টিমারে, আকাশ ছোবে বলে, ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যানে, পৃথিবীর শেষ স্টিশনের অসংখ্য যাত্রী, রাত্রির প্রহর গোনে,কুয়াশা ঝরা শীতের ঝাঁপসা আলোয়, রাত্রির মতো উৎকন্ঠা নিয়ে! কখন আসবে রাতের শেষ ট্টেনটি!!সমাপ্ত)

যোগাযোগ: 
রওশন আলী স্মৃতি   ভবন,৩য় তলা, ০৮ নম্বর কক্ষ,৩ মুজিব সড়ক, যশোর-৭৪০০। কোতয়ালী মডেল থানা,সদর- যশোর-৭৪০০।
মোবাইল: ০১৭১১০৪৭১৪০
Gmail: gmabumusa 89@gmail.com


web to story


♦সরল পথ বেঁকে যায় ♦
–লেখা: সোহাগ রেজা




সরল পথ বেঁকে যায় যতটা সহজে;
সে পথে যাত্রা নয় ততটা সহজ!
উদ্বিগ্ন-চিত্তের সাথে কালো মেঘে দল বাঁধে;
দীর্ঘ শ্বাস-গুলো দীর্ঘ থেকে-দীর্ঘতম হয় !

শূন্যতায় ভরে যায় সুপ্ত বাসনা;
লন্ড-ভন্ড করে-দেয় সাজানো স্বপ্নগুলো !
আনমনে গড়িয়ে যাওয়া লোনাজল মেশে উত্তাল তরঙ্গে;
হয়তো দূর থেকেও তা অনুভূত হয় ভীষণ !

বাস্তবে পৃথিবীতে কেউ কারো মতো নয় !
কেউ কখনই হয়না অন্যের মতো !
বিবেচনা-বোধে হয়তো সবাই নিজের মতো-করেই ভেবে যায়;
তবে; চমৎকার সব ভাবনাগুলো মিলে যেতে পারে সুন্দর স্বপ্নের রঙ্গীণ আসরে !

অন্যের ক্ষতিতে যারা গুপ্তায়নে থাকে মগ্ন ;
তাদের দুঃখের মালাটা বেশ দীর্ঘ !
যার একান্ত ভাবনাগুলো রাখে সকলের শীর্ষে;
সে জীবনের হিসেব মেলাতে পারে কতটুকু; কে জানে!
অহমিকায় ডুবে যায় সব সৌন্দর্যের-সৌন্দর্য !

যখন কুয়াশায় ঢেকে যায় সঠিক পথ;
আকুলতার শিহরে দাঁড়িয়ে থাকে বাঁধাহীন বাঁধা;
সূর্যের আলো হারিয়ে যায় মেঘের অভিমানে!
ঘাসের ডগায় ভোরের শিশিরে ঝরেনা মুক্তো; আগের মতো !
সময়ের ব্যবধানে অপেক্ষাতেই রয়ে যায়;
অধরা আবেগের তীব্র অপূর্ণতা!


লেখক: সোহাগ রেজা
টিভি ও বেতার সংবাদ উপস্থাপক,
গীতিকার বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতার, কবি, আবৃত্তিশিল্পী, নাট্যকর্মী ও বেতার যোষক।
*লেখার তারিখ: ১০-০৬-২০২২





web to story

শিরোনামঃ দীপ জ্বেলে রাখি,

কলমেঃ প্রবক্তা সাধু,
(পয়ার ৮+৬)
————————————
হৃদয় পুড়িয়ে দীপ জ্বেলে রাখি আমি,
তুমিতো আলোয় রও হেথা মোর যামী।
সাঁঝের তারাটা নভে থাকেনা তো কভু,
আলোর দিশারী হয়ে জ্বলে রই তবু।
বাজিছে ঘুঙুর সে তো লহু ঝরা পায়ে,
গলিত গরম মোম লাগে এসে গায়ে।
আমার জীবনে আছো রাজরানী হয়ে,
তোমার নয়নে হীন আজো গেছি রয়ে।
কিভাবে বলতে হবে কতো ভালোবাসি,
ছলনা হলেও যদি বলে যেতে আসি।
উদাসী দুপুর আর গোধূলি লগনে,
শুধুই তোমার স্মৃতি পড়ে যায় মনে।
দুখের প্রহর গুলো বড়ো হতে থাকে,
ব্যথার নীলাভ নভো তাই কাছে ডাকে।
দিবস ফুরিয়ে যবে অমানিশা নামে,
জোনাকি জ্বলেনা হায় তুমিহীনা ধামে।
সময় বয়েই চলে আসেনা তো ফিরে,
তোমায় খুঁজেই চলি আমি আঁখি নীরে।
—————————————
১১/০৬/২০২২

web to story




যুদ্ধের দামামা

রেজাউল করিম রোমেল


যুদ্ধের দামামা বাজছে,
কত শত মরছে মানুষ!
ট্যাঙ্ক কামানের গোলার আঘাতে ধ্বংস হচ্ছে বাড়ি ঘর।
বাস্তুহারা হয়ে পড়ছে মানুষ।
কত কত মানুষ আহত হচ্ছে।
কত মানুষ বিকলাঙ্গ হয়ে পড়ছে চিরতরে।
যে শিশুটি যুদ্ধে তার বাবাকে হারাল,
কি অপরাধ ছিল তার?
বাবা হারাল সন্তানকে, সন্তান হারাল বাবা,
স্বামী হারাল স্ত্রী, স্ত্রী হারাল স্বামী।
নিরাপদ মানুষ হারাল প্রিয়জন, আত্মীয়-স্বজন।
শোন মহারাজ,
– বন্ধ করো তোমার অস্ত্রের ঝনঝনানি ক্ষমতার বাড়াবাড়ি।
বন্ধ করো তোমার যুদ্ধের নামে
নিরপরাধ মানুষ হত্যা, রক্তের হোলিখেলা।
যে যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হয় মানুষ, পৃথিবী, মহাবিশ্ব।
প্রাণ হারায় নিরপরাধ সাধারণ মানুষ,
ধ্বংস হয় মানুষের কষ্টে অর্জিত জানমাল,
বাড়ি ঘর সম্পদ; তা এখনি বন্ধ করো।
আর কত দিন চলবে তোমাদের এই যুদ্ধ যুদ্ধ
খেলার নামে মানুষ হত্যা আর ধ্বংসযজ্ঞ।







শিরোনাম:ও পথ অনেক বদলে গেছে
কলমে:স্বভাব  কবি বৃন্দাবন ঘোষ।


তারিখ:১২\৬\২০২২

আর ওখানে মোরাম রাস্তা নেই
এখন সেখানে পিচের রাস্তা হয়েছে।
রাস্তায় যেতে যেতে দুধার গুলো দেখছিলাম।
নিমতলার মাঠের কাছে পুকুরটায় তখন কত জল
দেখেছি
এখন পুকুরে জল নেই
পুকুরটা মজে গিয়েছে
আর একটু এগিয়ে বাম দিকে
ঘন ইউক্যালিপটাসের জঙ্গলে
ওখানে বুচো বটগাছটার কাছে আমরা কত
ভালোবাসাবাসি করেছি
মনে পড়ছে তো তোমার?
মেটেলতোড়ার কাছে রাস্তার ডান দিকে বনের
মাঝেই বসতি গড়ে উঠেছে দেখলাম ।
রাস্তার বাম দিকে একটা তালগাছ বড় হয়ে
উঠছে লক্ষ্য করলাম
তোমার আমার সময়ে এই তালগাছ ছিল না।
যেতে যেতে সবই নতুন লাগছিল
আমরা যে এখানে একসময় প্রেম করেছি
তা মনেই হচ্ছিল না।
তুমি যদি কোন দিন এ রাস্তা দিয়ে যাও
দেখবে তোমারও মনে হবে আমি একেবারে
ঠিক  কথাই বলেছি তোমায়।
তুমিও বলবে ,হ্যাঁ,ও পথ অনেক বদলে গেছে।


web to story



একাকীত্ব

সুদীপ চক্রবর্তী

চাকরিটা চলে গেছে পৌঁছালো তোর কানে ,
রোজকার আড্ডার মাঝে সন্ধ্যা আর রাতের মাঝখানে।
ভেবেছিলাম যাব তোর বাবার কাছে কথাটা শুরু করবো বলে ,
সেটা আর হলো না ,
তোর মনের অবস্থাটা আর জানাতে পারলি না ,
চলে গেলি বাড়ির পছন্দের লোকের সাথে ,
আর কোনো খবর নাই ,
দেখা হয় নাই কোনো অলি গলির পথে ,
আজ দেখা হলো তিরিশ বছর পর ,
অনেক দূরের মানুষ ,
কাছ থেকে হয়ে গেলি পর ।
সেই মাঠ নেই , নেই পরিচিত উঠোন ,
শান্তির জায়গা ছিল অশ্বত্থ গাছ তলা ,
শুধু হতো সারাদিনের জমে থাকা কথা বলা ,
তোর মনে আছে কি ?
আমার সবই মনে আছে ,
যদিও এখনও আমার ঘরে সত্যি বেমানান তোর একটা পুরানো ছবি লটকানো আছে ,
কিছুটা মুছে গেছে , কিছুটা অস্পষ্ট ,
বাকিটা বেঁচে আছে ।
যদিও মনের মধ্যে সব ছবিই জ্বল জ্বল করে চারিদিকে ঝুলে আছে ।
মুখটা সেই আগের মত মিষ্টি আছে ,
চুলে সামান্য পাক ধরেছে ,
কে যেন বল্লো ,
ঐ দেখ বড় ছেলের হাত ধরে চলেছে ,
আমায় কিন্তু চিনতে পারলো না ,
হয়তো বদলে গেছি ?
ছিলাম তো অনেক দিন একসাথে কাছাকাছি ।
তবুও চেনা অচেনার দোলাচলে জীবন কাটিয়ে দিলাম ।
এটাই কি শেষ বোঝাবুঝি ?
আজ বড় বাড়ি আছে , বড় চাকরির সাথে আধুনিক গাড়ি আছে ,
মাঝে কোনো সাঁকো বা সেতু নেই , যা তোর সাথে আমার আবার নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেবে ।
তোর ভালো লাগুক আর না লাগুক একটা সংসার আছে ,
আমি কিন্তু একা ,
একাকীত্বই একটা সংকট ,
স্থায়ী হিসাবে রয়ে গেছে ।
সব কিছুই মানিয়ে নিয়েছি ,
কিন্তু আজও একাকীত্ব কে মানতে পারিনি ,
নদীতে যেমন নৌকা চলে ,
আবার ফিরে আসে ঘাটে ,
আমারও তাই , চাকরি থেকে ঘরের ঘাটে ,
প্রতিদিন তোকে মনে করে তোর ছবির পাশে একটা সুগন্ধি ধূপ জ্বালাই ,
যাতে তোকে কোনোদিন ভুলে না যাই ।
নাইবা পেলাম তোকে ,
কিন্তু মনের মধ্যে ছবি রেখেছি এঁকে ।
আমার কোনো দুঃখ নেই , নেই কোনো শোক ,
তোর ছবি বেঁচে আছে ,
জীবনে দিয়েছে আলোক ,
জীবন চলেছে জীবনের মতো যতদিন মৃত্যু না আসে ,
তোর আমার স্বপ্ন সব সময় থাকবে আশেপাশে ।
জীবন শেষ হবার আগে একবার শেষ দেখা চাই ,
দুদন্ড গল্প করে একাকীত্ব কে বিদায় দিয়ে যাই ।





Post a Comment

ধন্যবাদ । শুভেচ্ছা ।
© Web to Story - Site. All rights reserved. Developed by Jago Desain